“Roma have risen from their ruins! ‘Manolas, the Greek God in Rome. ‘The unthinkable unfolds before our eyes. ‘This was not meant to happen, this could not happen, this is happening!”
ফুটবল কি শুধুই মাঠে, বলে বা পায়ের খেলা? সুন্দরতম এই ক্রীড়া আমাদের মনের খেলা, প্রাণের খেলা। এই খেলায় মাঠের খেলোয়াড়দের আবেগ অনুভূতি আস্বাদন করার যোগ্যতা আমাদের নেই। আছে দৃষ্টিনন্দন খেলা দেখা আর স্টেডিয়ামের গর্জন অনুভব করা। তবে, প্রত্যেক ক্রীড়ার মধ্যে আরেকটা জিনিস ভস্মের মতো চোখের আড়ালে চলে যায়, সেটি হলো ধারাভাষ্য। আজকের লেখা তাকে নিয়ে যিনি, এই ফুটবলে ধারাভাষ্যকে হাতিয়ার করেই বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি আর কেউ নন, ফুটবল ধারভাষ্যের অবিসংবাদিত রাজা ‘ফুটবলের কবি’ খ্যাত পিটার ড্রুরির কথা। সাধারণত, খেলাধুলার ধারাভাষ্য শিল্পের সাথে আমরা ক্রীড়ামোদীরা খুব বেশি পরিচিত নই। যুগে যুগে অনেক ধারাভাষ্যকার কমেন্ট্রি বক্সে কথার ঝড় তুলে নিজেদের চিহ্ন রেখে গেছেন। অনেকে আবার ইতিহাসেরও অংশ হয়ে আছেন বটে। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে সুইডেনের বিপক্ষে ফুটবল সম্রাট পেলের যুগান্তকারী হ্যাট্রিকে বিবিসি ব্রডকাস্টের সেই ধারাভাষ্য এখনও স্মরণ করে মানুষ।
১৯৭৮ আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপে এক সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ ধারাভাষ্যকারের কথার মালা ফুটবল ইতিহাসেরই অংশ হয়ে রয়েছে। ছিয়াষি বিশ্বকাপের ফাইনালের দিয়াগো ম্যারাডোনার করা প্রতিটি গোলের ধারাভাষ্যই ইতিহাসের এক একটি অধ্যায়।
রামোসের সেই ফার্গি টাইমের গোলে লা-ডেসিমার কামব্যাক কিংবা রোনালদোর ক্যালমা সেলিব্রেশন,রদ্রিগোর ম্যানচেস্টার সিটিকে স্তব্ধ করে দেওয়া গোল কিংবা সর্বশেষ রিচার্লিসন এর ওভারহেড কিক সব গুলোকে তিনি তার সুন্দর সাবলীল শব্দ শৈলী দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি শত রুপকথার সাক্ষী৷
২০২২ বিশ্বকাপেও তাঁর মুখ থেকে রচিত হচ্ছে মরোক্ক,জাপান,সৌদির রুপকথার মহাকাব্য।
লেখকঃ মোঃ আকাশ আলী
ব্যাচঃ ১৬ তম
বিভাগঃ রসায়ন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

