গত ১৮ জুলাই ২০২৩ তারিখে পূর্বঘোষিত রাজনৈতিক কর্মসূচী হ্ঠাৎ পরিবর্তন করে একদল রাজনৈতিক সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, ভারি পাথরের টুকরো, ইটপাটকেল নিয়ে ইয়াকুবিয়া স্কুল সংলগ্ন ব্যারিকডে পুলিশ সদস্যদের উপর পরিকল্পিত সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। মুহুর্মুহু ককটেল ও বোমাবাজির মাধ্যমে জনজীবনকে অচল করে দেয়ার প্রয়াস ঘটায়। এই ঘটনা প্রতিরোধ করতে যেয়ে জেলা পুলিশ বগুড়া’র ১১ জন গর্বিত সদস্য আহত হয়েছেন। ককটেল বিস্ফোরণের তীব্র শব্দ ও সংঘর্ষ পরবর্তী ইয়াকুবিয়া স্কুলের কোমলমতি ছাত্রীরা আতংকিত ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। ষষ্ঠ শ্রেণীর ফার্স্ট গার্ল মোহনা ও সহপাঠিনী নাবিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এজন্যগতকাল সন্ধ্যায় রাজশাহী কনফারেন্স থেকে এসেই সরাসরি তাদের দেখতে গেলেন এবং তাদের চিকিৎসা সেবার খোঁজখবর নিলেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বিপিএম পিপিএম বার। এসময় বগুড়া পুলিশ সুপার বলেন নাবিয়া বেশ ভালোই আছে তবে মোহনার মাঝে অস্বস্তি বিরাজ করছে। তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসকদের অনুরোধ জানালাম।
তবে আনন্দের বিষয় হচ্ছে, বড়ো হয়ে মোহনা পুলিশ সুপার এবং নাবিয়া চিকিৎসক হয়ে সাধারণ মানুষের সেবা করার মাঝে তাদের লক্ষ্য স্থির করেছে। মহান সৃষ্টিকর্তা তাদের মহৎ উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই পূরণ করে দিবেন।
“আজ যে শিশু পৃথিবীর আলোয় এসেছে
আমরা তার তরে একটি সাজানো বাগান চাই। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী পুলিশ সুপার বগুড়া।

