আওয়ামী লীগ ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়ন শাখা’র ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১৮ নভেম্বর। সম্মেলনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই ব্যপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেতাকর্মীরা। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে উপজেলা আওয়ামীগের হাইকমান্ডের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন অনেকেই।
পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সেকান্দার আলী। ভূজপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে চান তিনি।
সার্বিক বিষয়ে কথা হয় মো.সেকান্দার আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ভূজপুরে আওয়ামী লীগের সৎ যোগ্য নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি। আমি দলে অনুপ্রবেশকারী নয়। ছাত্রজীবন থেকে সততার সঙ্গে রাজনীতি করে যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছি। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক এবং কোন অপরাধের সাথেও কোনদিন জড়াইনি। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমার অগ্রাধিকার, আমার সততা দেখে প্রবীণ আওয়ামী লীগের সদস্যরা আমাকে পরামর্শ, দিকনির্দেশনা দেন। তাদের কথা মতই আমি সভাপতি প্রার্থী হয়েছি।
সেকান্দার আলী বলেন, বিগত ৬বছর ভূজপুরে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তারা ভূজপুরে আওয়ামী লীগকে অন্যান্য জায়গার তুলনায় ১০শতাংশও সুসংগঠিত করতে পারেনাই। ভূজপুরে আওয়ামী লীগের নিজস্ব একটা অফিস নাই। আমি মনে করি যারা দায়িত্বে ছিল এটি তাদের ব্যার্থতা। তিনি বলেন- নিজের জীবন বাজি রেখে জামায়াত-বিএনপি ও শিবিরের তান্ডবের বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছি। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ভূমিকা রেখেছি। এখনও দলকে সু-সংগঠিত করতে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমি একজন শহীদ পরিবারের সন্তান। আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, আওয়ামী লীগ করে বলে আমি আমার এক ভাইকে হারিয়েছি। বিগত সময়ে ভূজপুরে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের খোঁজ কেউ রাখেনাই। আমি সভাপতি নির্বাচিত হলে প্রতি মাসেই তাদের নিয়ে চা চক্র করবো। আমাকে নিয়ে অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, প্রেশার ক্রিয়েট করা হচ্ছে। আশা করি আগামি ১৮নভেম্বর এর যোগ্য জবাব দিবে কাউন্সিল।

