amadermuktokantho
চট্টগ্রামবুধবার , ৩০ নভেম্বর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ব্রাজিলের ৭ গোল প্রসঙ্গ

আল মাহমুদ
নভেম্বর ৩০, ২০২২ ৬:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মানুষ দুই প্রকার। ১. ব্রাজিলের সার্পোটার ২. ব্রাজিলের উপর সবসময় হিংসা করা লোক (নাম উল্লেখ করলাম না)

জার্সিতে মাত্র ২ খান স্টার নিয়ে তাদের থেকে ২গুণ থেকেও বেশি স্টাররের দলকে তারা তাদের সমকক্ষ মনে করে না। না করাই শ্রেয়। তারা করবে কোন শরমে। যাদের একবিংশ শতকে অর্জন বলতে কোপা আমেরিকার একটি কাপ আর সেভেন আপ। যেখানে সেভেন আপ তাদের নিজেদের কষ্টেও আর্জিত নয়। যারা আমাদের বলে থাকে বাপের আমলের সম্পদ নিয়ে বড়াই করো না, আজ তারা সেভেন আপ আজ নিজেদের অর্জন মনে করে।

এবার আশা যাক মূল কথায়। ৭ গোল বা সেভেন আপ। বাস্তবতা মেনে নিতে হবে, তবে অযথা এবং অযাচিত মন্তব্য মেনে নেওয়া যায় না। যারা তাদের দলের স্টার প্লেয়ার নিয়ে হারে তাদের এক মহাসাগর ভরা সমাবেদনা দিলেও কম হয়ে যাবে।

ব্রাজিল ৭ গোল খেয়েছে কিন্তু কোন সময় এবং কোন আবস্থায় খেয়েছে তা না বুঝে গেজানো পাবলিকদের নিয়ে আজ আমার ফিচার। ম্যাচটি ছিল জার্মানির সাথে কোয়াটার ফাইনাল। এই রকম ম্যাচে দলের স্টার প্লেয়ার নেইমার ছাড়া খেলা এবং তার সাথে এই রকম এক বড় ম্যাচে তৎকালীন বিশ্বের সেরা ডিফেন্ডর থিয়াগো সিলভা দলে থাকা স্বত্বেও তাকে ডাকে বসিয়ে রাখা সেভেন আপের মূল কারণ।

কারোর জানা বাকী নেই, তার আগের ম্যাচে কলোম্বিয়ার সাথে খেলা ম্যাচে নেইমার আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন। আর থিয়াগো সিলভার হলুদ কার্ড ছিল দুটি। তাই তাকে মাঠে নামানো যায়নি। এই রকম এক গুরুত্বপূ্র্ণ ম্যাচে এই রকম দুই যোদ্ধা ছাড়া নামা নিঃসন্দেহে এক বড় বাজি ছিল।

এই এতো বড় বাজি ধরে কোচ যে ব্যর্থ হয়েছে তা ৭ গোল প্রমাণ। যারা ফুঠবল নিয়ে লাড়াচাড়া করেন তারা জানেন যে, ব্রাজিলেন এই হার ছিল জার্মানির কাছে ২০০২ সালের ফাইনলে তাদের হারিয়ে কাপ উচিয়ে ধরার প্রতিশোধ। জার্মানি আহত যোদ্ধাকে হারিয়ে যত না ভাব নিয়েছে, তার থেকে বেশি ভাব নিচ্ছে দুই স্টারধার‌ীরা।

আর দুই স্টারের পাবলিকরা যে কী বুঝে তর্ক করে সেটা আজও আমি বুঝতে পারলাম না। যারা ইতালির কাছে ১৯৬৪ সালে ৭ গোল খেয়েছে তারা তা ভুলে গিয়েছে। আমরা তাও ১ গোল শোধ নিয়েছি। তারা তো তাও শোধ করতে পারেনি।

১৯৮৫ সালে বলভিয়ার সাথে যারা এক ডজন গোল খাওয়া থেকে একটি মাত্র গোল পিছিয়ে ছিল। তাদের ব্যর্থতার কথা বলে আর মুখ নষ্ট করলাম না। ভালো থাকবেন। বিদায়।

লেখকঃ আল মাহমুদ
শিক্ষার্থী: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
১৬ আবর্তন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।