তীব্র গ্রীষ্মের গরমে যখন চারিদিকের মানুষসহ পশুপাখিরা অতীষ্ট । গরমে চারিদিকে বিরাজ করছে হাহাকার অবস্থা। ঠিক সেই গ্রীষ্মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটেছে লাল কৃষ্ণচূড়া ফুল।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সেজেছে এক নতুন রুপে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস জুড়ে যেন বিরাজ করছে লাল বর্ণের কৃষ্ণচূড়া ফুল। বাহির থেকে শিক্ষার্থীরা যখন ক্যাম্পাসে প্রবেশ তখন তাদের মনে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সাথে সাথে সবার নজর পড়ে কৃষ্ণচূড়া ফুলগুলোর দিকে৷ কেউ কেউ মেতে উঠে কৃষ্ণচূড়ার সাথে ছবি তুলতে।ফুলগুলোই যেন হয়ে ওঠে অনেক শিক্ষার্থীর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অনেক সময় দেখা যায় একজন প্রেমিক তার প্রেমিকার মাথায় গুজিয়ে দেয় কৃষ্ণচূড়া ফুল।
হালকা বাতাসে যখন কৃষ্ণচূড়ার ডালগুলো দোল খায়, তখন হৃদয় ও মনে দোলা দিয়ে যায়। এ দৃশ্যই যেন মনে করে দেয় কবি গুরুর লেখা ‘গন্ধে উদাস হওয়ার মতো উড়ে/তোমার উত্তরী কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জুরী।’মনে পড়ে যায় জাতীয় কবির কবিতা- ‘কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জুরী কর্নে— আমি ভূবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্নে’ এমন পঙতি দিয়ে বোঝা যায় কতটা সৌন্দর্য কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিকে দান করেছে।
সকালবেলা ক্যাম্পাসের আঙিনা যখন ঢেকে যায় লাল কৃষ্ণচূড়ার পাপড়িতে তখন যেন ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বেড়ে যায় বহুগুনে৷ এই সৌন্দর্যগুলোই ক্যাম্পাসের প্রতি প্রত্যেকটা শিক্ষাথাীর আকর্ষণকে বাড়িয়ে দেয়।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছোট হলেও আমাদের ক্যম্পাসের সৌন্দর্য কোন অংশেই কম নয়।
লেখক: নাজমুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

