বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ( সিআইপি) হিসেবে প্রথমবারের মতো স্বীকৃতি পেয়েছেন কুমিল্লার কৃতিসন্তান মো: সোহেল মজুমদার।
গত বৃহষ্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো: সারওয়ার আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ২০২১ সালের নতুন সিআইপিতে তালিকা ঘোষণা করা হয়। এতে প্রথমবারের মতো স্থান পান কুমিল্লার এই কৃতী সন্তান।
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এবার ( সিআইপি) হয়েছেন ৩০ জন। সারাবিশ্বে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে (সিআইপি) নির্বাচিত হয়েছে মোট ৮৫ জন। এরমধ্যে বেশী সংখ্যক (সিআইপি) আরব আমিরাতের। তন্মধ্যে অন্যতম হলেন সোহেল মজুমদার। যিনি একাধারে বাংলাদেশ কমিউনিটি ও অসহায় প্রবাসীদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই মর্যাদায় গর্বিত কুমিল্লাবাসীরও।
টগবগে তারুণ্য আর চোখে অনাবিল স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে শাণিত মেধার ব্যয়। সবমিলিয়ে একজন পরিপক্ক বিজনেস মেকার তিনি। নিজের পরিশ্রম, মেধা আর যোগ্যতায় সাফল্যের শেকড় থেকেই শিখরে পৌঁছে গেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী মো: সোহেল মজুমদার।
লোকমুখে তিনি সফল ব্যবসায়ী সোহেল মজুমদার। ব্যবসায়িক সাফল্যের দ্যুতি ছড়িয়ে তিনি আমিরাতের বুকে হয়ে উঠেন কুমিল্লাবাসীর গর্বের প্রতীক।
আরব আমিরাতের সবুজে ঘেরা নগরী শারজাহ শহরে বসবাস তার। ব্যবসার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন পছন্দের পাত্র।
মানুষের দুর্দশায় পাশে দাঁড়ানো, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে প্রবাসীদের সচেতন করা, বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিদেশের মাটিতে তুলে ধরা এবং দেশকে গৌরবান্বিত করতে সকল প্রবাসীদের নিয়ে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন গর্বিত এই রেমিটেন্স সৈনিক। যা একটি দেশকে মর্যাদার আসনে বসাতে খুবই প্রয়োজন।
মূলত ব্যবসায়িক লক্ষ্যে আমিরাতে ছুটে আসেন তিনি। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তাই কাজে লাগাতে তার অসাধারণ পরিকল্পনা। যার ফলে জীবন হয়েছে সাবলীল আর দেশকে করছেন অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ।
আরব আমিরাতে যে ক’জন প্রবাসী জীবনের প্রয়োজনে অর্থ সঞ্চয়ের পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল ও কমিউনিটিতে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিচ্ছেন তাদের মধ্যে সোহেল মজুমদার এক উজ্জ্বল নাম ও দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশ সরকারের দেয়া সিআইপি সম্মাননার চেয়েও মানুষের ভালবাসা ও কল্যাণে নিবেদিত হয়ে কাজ করা তার কাছে তাই অধিকতর মূল্যবান।

