নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাইক্রো গাড়িতে পুলিশের স্টিকার ব্যবহারের অপরাধে মো: হাসান টিটু (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটকের পর মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত শনিবার (১৫ জুলাই) শিমরাইল মোড়স্থ মাইক্রোস্ট্যান্ড থেকে গাড়ির মালিকসহ লাখ টাকার বিনিময়ে গাড়িটি জব্দ করা হয়েছিল। জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রেন্ট-এ-কারে ভাড়ায় চালিত একটি মাইক্রো গাড়িতে পুলিশের স্টিকার ব্যবহার করে আসছিল অভিযুক্ত টিটু। পরবর্তীতে ঘটনাটি গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে (ওসি) গোলাম মোস্তফার নির্দেশে ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির (২) গাড়ির মালিকসহ গাড়িটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। দিনব্যাপী নানান তদবিরের শেষে সন্ধায় ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে মালিকসহ গাড়িটিকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে এক গোপন সূত্রে জানা যায়। যা আলোচনা- সমালোচনার ঝড় তুলেছে। এ বিষয়ে গাড়ির মালিক টিটুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার গাড়ির চালক গত পরশুদিন পুলিশের ডিউটি করেছিলেন।
কারণবসত গাড়ির স্টিকারটি খুলতে ভুলে গিয়েছিল সে। পরেরদিন আমাকে থানায় ঢাকা হলে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। টাকার বিনিময়ে ছাড়ার অভিযোগে তিনি বলেন, আমি টাকার বিষয়ে কিছু জানি না। আমার মামা ফয়সাল পুলিশের সাথে কথা বলে আমাকে ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছে। টাকা দেয়ার বিষয়ে আমার জানা নাই। গাড়ীর মালিক হাসান টিটুকে ১২ ঘন্টা থানার ভিতরে আটকে রাখে, পরে রফাদফার পরে গাড়ীর মালিক হাসান টিটুকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, থানার ভিতরে একটি নোয়া গাড়ী নিয়ে আসা হয়েছিল। গাড়ীর মালিককে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সে বলে আমার গাড়ি টা দিয়ে মাঝে মাঝে পুলিশের লগো লাগিয়ে পুলিশের ডিউটি করা হয়। সে আর কখনো এই গাড়ীতে পুলিশের লগো লাগাবে না, গাড়ীর মালিক মুচ লেখা দিয়ে গাড়ী নিয়ে যায়। টাকার ব্যাপরে জানতে চাইলে, ওসি এড়িয়ে যায় এবং তিনি বলে এসব আমার জানা নাই।

