কী শিরোনামটা আশ্চর্য শোনাচ্ছে? আশ্চর্য মনে হলেও এটাই সত্য। রবিবার রাত ৯টচায় লুসাইল স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচ ঘিরে বিশ্বজুড়ে চলছে উন্মাদনা। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ২০২২ বিশ্বকাপ আসরের। কাতারকে বিদায় জানিয়ে বিশ্বকাপ চলে যাবে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডাতে। কিন্তু এবারের আসরে শিরোপা যেই জিতুক শিরোপা যাচ্ছে একটি দলেই।
বলছি ক্লাব ফুটবলের ফরাসী জায়ান্ট প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর (পিএসসি) কথা। কেন এমনটা বলছি, তার ব্যাখ্যাও আছে। বিশ্বকাপের ফাইনাল আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স হলেও মূল দ্বৈরথ লিওনেল মেসি ও কিলিয়েন এমবাপের মধ্যে। আর এই দুজন জাতীয় দলে ভিন্ন জার্সিতে খেললেও ক্লাব ফুটবলে একই জার্সিতে।
তাই শিরোপা জাতীয় দল হিসেবে যে দলই জিতুক, ট্রফির আধিপত্য থাকবে পিএসজিরই। কেননা মেসি যেমন আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা। তেমনভাবে এমবাপে আছেন ফ্রান্সকে এগিয়ে নেওয়ার পথপ্রদর্শক হিসেবে। শিরোপার দাবীদার দুজনই যখন এক ক্লাবের। তাই টেনশন নেই পিএসজির। কেননা ট্রফির দাবীদার তারা হতেই পারে।
আর মাত্র একটি ম্যাচ। সেটা জিততে পারলেই ক্যারিয়ারে সব চাওয়াই পূর্ণ হবে লিওনেল মেসির। ইতিহাসের অন্যতম সফল এ ফুটবলারের কেবল ওই বিশ্বকাপটাই যে ছোঁয়া হয়নি। কিন্তু সেখানে বড় বাধা কিলিয়ান এমবাপে। টানা দুটি শিরোপা জিতে নিতে বদ্ধপরিকর এ তরুণও।
এ ম্যাচের আগে আলোচনা চলছে মেসি ও এমবাপের দ্বৈরথ নিয়েও। কারণ এখন পর্যন্ত মুখোমুখি লড়াইয়ে কখনোই এমবাপেকে হারাতে পারেননি মেসি। জাতীয় দল তো নয়ই, ক্লাব পর্যায়েও নয়।
এখন পর্যন্ত তিনবার এমবাপের মুখোমুখি হয়েছেন মেসি। একবার জাতীয় দলে, অপর দুটি সাবেক ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে। সেখানে দুটি সাফল্য ফরাসি তরুণের, অপরটি ড্র। তবে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদার ফাইনালেই এ সমীকরণ ভাঙতে চাইবেন মেসি।

