amadermuktokantho
চট্টগ্রামবৃহস্পতিবার , ২০ অক্টোবর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আবুধাবিতে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

মাহবুব সরকার,আবুধাবি প্রতিনিধি:
অক্টোবর ২০, ২০২২ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

“শেখ রাসেল নির্মলতার প্রতীক- দূরন্ত প্রাণবন্ত নির্ভীক” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর ৫৮ তম জন্মবার্ষিকী তথা শেখ রাসেল দিবস ২০২২ উদযাপন করেছে আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) উৎসবমুখর পরিবেশে শেখ খলিফা বিন যায়েদ বাংলাদেশ ইসলামীয়া স্কুল এন্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ সরকারের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর এর নেতৃত্বে শহীদ শেখ রাসেল এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দূতালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্ধ, স্থানীয় প্রবাসী কমিউনিউটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এতে অংশগ্রহণ করেন- জনতা ব্যাংক লিঃ ও বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ স্কুলের উপদেষ্টাসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ সহ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বহু প্রবাসী। এ দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
পরবর্তীতে, শেখ রাসেল-এঁর উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। দিবসটিকে ঘিরে অনুষ্ঠিত শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার, সম্মাননা সনদ, এবং স্মারক বিতরণ করেন মান্যবর রাষ্ট্রদূত মহোদয়। পুরষ্কার বিতরণ শেষে শিশু-কিশোরদের সাথে নিয়ে শেখ রাসেল-এঁর জন্মদিনের কেক কাটেন মান্যবর রাষ্ট্রদূত।
সমাপনী বক্তব্যে মান্যবর রাষ্ট্রদূত বলেন, ছয় দফা প্রণয়ন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশগঠনের প্রচেষ্টা-এতোসব কর্মমুখর সময়ের মধ্যে জন্ম ও বেড়ে ওঠা শিশুটির নাম শেখ রাসেল যার শৈশব বাঙালি জাতির জন্মলগ্নের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো জুড়ে ডানা মেলেছে । বাল্যকালেই যে মহানুভবতা ও কোমল হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছিল তাঁর যাবতীয় কর্মকাণ্ডে, বেড়ে ওঠার সুযোগ পেলে হয়তো সে আজ বিশ্বব্যাপী কোনো মানবদরদী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতো, হয়তো হতে পারতো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে একজন অগ্রপথিক। সেজন্য, শিশু রাসেলের জীবন সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের কাছে তুলে ধরতে প্রতি বছর তাঁর জন্মদিনকে “শেখ রাসেল দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পৃথিবীর আর একটি স্বপ্নকুঁড়িও যেনো বর্বরতার শিকার হয়ে অকালে ঝরে না যায়, একটি শিশুও যেন নৃশংসতার শিকার না হয়, সেজন্য সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি। রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা এবং ১৫ই আগস্টের সকল শহীদের বিদেহী আত্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
সবশেষে, শেখ রাসেল-এঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় ও অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।