সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে পরিচিতি পাওয়া বগুড়ার ছেলে হিরো আলম যার আসল নাম আশরাফুল আলম যিনি হিরো আলম নামেই অধিক পরিচিত। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাইরাল হয়েছেন তিনি এবার তার ইচ্ছা শক্তি আর শেখার আগ্রহ দেখলো নেটিজেনরা। হিরো আলম তার পরবর্তী ছবি হাসিওয়ালার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জুয়েল( জুয়েল আদীব) এর কাছে কবিতা চর্চা করছেন তিনি। কবিতাটির রচয়িতা মুলত হাসিওয়ালা সিনেমার নির্মাতা অতিন্দ্র কান্তি অজু।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপ মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জুয়েল জানান, হিরো আলমের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর চেষ্টার ফলে আজ সে দেশের ভাইরাল একজন অভিনেতা। তার ইচ্ছাশক্তি দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ।তার মুখে কিছু জড়তা লক্ষ্য করেছি ধীরে ধীরে তা কাটিয়ে উঠছে প্রায় দেড় মাস হলো সে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তার শিখার পিছনে কারণ হলো সে একটি ছবি নিয়ে কাজ করতেছে সেখানে তার অতীত জীবনের গল্প নিয়ে কবিতাটি সাজানো হয়েছে। মুলত তাকে নিয়ে যারা হাসাহাসি করতো তাদের উদ্দেশ্য করেই কবিতাটি রচনা করা হয়েছে।
কবিতাটি ছিল এমন,
এসো দৈন্য নগরীর ধন্য দামাল
এসো আমায় নিয়ে একসাথে আজ হাসি
এসো রোদের পিঠে চড়ে তনুর তমাল
এসো একে একে সব সনদের বাশী
এসো? এসো আমায় নিয়ে
একসাথে আজ হাসি।
আমার আমিই যেনো পাপ!
প্রথমবারে, আমার দরজায়
কড়া নাড়ে, মায়ের নামে শাপ।
দ্বিতীয়বারে মেরুদণ্ডে
কড়া নাড়ে , কালো আলোর তাপ।
হিরো আলম জানান, দর্শকদের ভালোবাসার কারণেই আমি এতদূর আসতে পেরেছি। দর্শকদের চাহিদার আলোকেই আমি আলাদা কিছু নিয়ে হাজির হচ্ছি, যা অন্যসব অভিনেতাদের থেকে আলাদা হবে। চেষ্টা করছি মিডিয়াকে নতুন কিছু দেওয়ার, সেই চেষ্টা থেকে আবৃত্তি শিখছি যা একসাথে আমার ছবি ও আমার ব্যক্তিগত কথাবার্তায় ও পরিবতন আনবে।
দর্শকরা আমাকে যেভাবে সাপোর্ট দিয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবেই পাশে থাকবে বলে আশা রাখছি।

