শিল্প এলাকা ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১নং উথুরা ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত পরিবারের কৃতি সন্তান সমাজ সেবক,উচ্চশিক্ষিত,শিক্ষানুরাগি, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল শাহ মো: আশরাফুল হক জজর্ কে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে চায় নেতা-কর্মীরা। গত ১৯ বছর যাবৎ ভালুকা উপজেলা আওয়ামীলীগের কোনো কমিটি নেই তাই নেতা-কর্মীরা হতাশ। দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা সৎ, উচ্চ শিক্ষিত, যোগ্য ও মানবিক নেতার নের্তৃত্ব দাবী করছেন।
তৃনমূল থেকে উঠে আসা নেতা শাহ মো: আশরাফুল হক জর্জ। তার পিতা, মৃত: শাহ মো: সিরাজুল হক তৎকালীন পাকিস্তান আমলে প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন, ৭১রে মুক্তিযোদ্ধ চলাকালীন সময়ে তাদের ঘর-বাড়ি রাজাকার বাহিনী পুড়িয়ে দিয়েছিল। এছাড়াও বিএনপি শাসন আমলে বিএনপি- জামায়াত কর্তৃক মিথ্যা মামলা ও শারীরিক ভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। ফলে তার বাবা সহ এ পরিবারটি অর্থনৈতিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল।
জানাযায়, শাহ মো: আশরাফুল হক জর্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মসজিদ,মাদ্রাসা,এতিমখানা, স্কুল,কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন মূলক কাজ, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে সব ধরণের পৃষ্ঠপোষকতা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারন,গরিব-দু:খী মানুষ, দলের নেতা কর্মিদের নিয়মিত খোঁজ খবর নেন- পাশে দাড়ান ও রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে দলীয় রাজনীতিতে বেশ অবদান রাখছেন। ফলে, যুব সমাজসহ দল মত নির্বিশেষে সবার মুখে তার গুণগান শোনাযায় এছাড়াও তার দ্বারা বিভিন্ন সময় মানুষ উপকৃত হয়ে তার সু-স্বাস্থ্য ও উন্নতি কামনায় সর্বস্তরের মানুষ মসজিদ,মাদরাসা,এতিমখানায় দোয়া করায়।
শাহ মো: আশরাফুল হক জর্জ তিনি একাধারে যেসব দায়িত্ব পালন করেন:
১৯৭৭ সালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের কনভেনশনার, ১৯৮১-৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ হল এর ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৮১-৮২ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ কৃষকলীগ আহবায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটি দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ কৃষকলীগ আন্তর্জাতিক বিষয় সম্পাদক, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ কৃষকলীগের স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, ২০০৩ সালে কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১২ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি, বর্তমানে উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমিতি ঢাকার সাধারন সম্পাদক, তিনি বর্তমানে ২০১৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে ডেপুর্টি এটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন,বাপা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল এর সদস্য,ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিভিশন কোম্পানি লি: বাংলাদেশ(ইচউই) এর পরিচালক, উথুরা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয়রা বলেন,সততা ও বলিষ্ঠ ভুমিকায় তিনি জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ স্থানে পৌছিয়েছেন। জনগনের বন্ধু ও মানবিক নেতা হিসাবে রয়েছে তার বেশ সুনাম । মানুষের বিপদে আপদে উপকার করাই যেনো এই নেতার নেশা।
তিনি রাজনীতিতে নিতে নয় দিতে এসেছেন দূর্নীতি তাকে স্পর্শ করতে পারেনি তার একমাত্র পুত্র ছিল রাফিদ সেও পরপারে চলে গেছেন।তাই তিনি সারাজীবন মানব সেবা ও মানব কল্যানে নিজেকে নিয়জিত রাখতে চায়। বর্তমানে শাহ মো: আশরাফুল হক জর্জ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে ও দলকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে দলের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ও দলের নেতা-কর্মীদের বিপদে-আপদে সর্বদা পাশে থাকেন ।
এ ব্যাপারে শাহ মো: আশরাফুল হক জজর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন,দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয় দলকে শক্তিশালী করার লক্ষে আমার চিন্তা একটাই কি ভাবে মানব সেবা করা যায়।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দূর্বার গতিতে। মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেন তবে আমি দায়িত্ব পালন করে দলকে আরো শক্তিশালী করতে পারব ইনশাআল্লাহ।

