পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন ও ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম মাহফিল এবং খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম, হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্মরণে যৌথভাবে এশায়াত মাহফিল করেছে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ ২০১, ১৫, ১০২ ও ১১৫ নং শাখা।
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ, আরেফিন নগর কমপ্লেক্সস্থ হযরত গাউছুল আজম মুনিরী (রা.) মসজিদ প্রাঙ্গণে হাফেজ মুহাম্মদ আলামিনের পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া মাহফিলে পবিত্র নাতে মোস্তফা (দ.) পেশ করেন মুহাম্মদ আলামিন এবং পবিত্র ক্বছিদা শরীফ পেশ করেন যথাক্রমে শায়ের মুহাম্মদ আলী ও মুহাম্মদ মিনহাজ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও সিনেট সদস্য এবং মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুর এর সভাপতিত্বে ও মুহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম শাহেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
বক্তারা বলেন, তরুণ ও যুবকরা যদি আল্লাহ প্রদর্শিত পথে ও রাসূল (দঃ)’র আদর্শে জীবন গড়ে তাতে বদলে যাবে গোটা সমাজ, সমুন্নত থাকবে সামাজিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দের বন্ধন। আর এ ব্যাপারে সন্তানের প্রতি মা-বাবার যেমন ভূমিকা রয়েছে, তেমনি দায়িত্ব এড়াতে পারেন না সমাজের কর্তাব্যক্তিরাও। ঘৃণা দিয়ে নয়, পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়ে বখে যাওয়া সন্তানকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হতে হবে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। পাশাপাশি তারা আরও বলেন যুব সমাজকে আল্লাহ ও রাসুলের পথে এবং মতে রাখতে যুগোপযোগী কাজ করে যাচ্ছে কাগতিয়া কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ।
মাহফিল শুরু হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে হযরত গাউছুল আজম মুনিরী (রা.) মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রাঙ্গণ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ মাওলানা রিদুয়ান, হাজ্বী মুহাম্মদ শফিউল আলম, মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মুহাম্মদ আফছারুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবু কালাম, শাহীন হোসেন লাভলু, মুহাম্মদ ইলিয়াছ, মাওলানা সাইম হুছাইন, মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মুহাম্মদ আবুল হোসেন, মুহাম্মদ জিফাদুল ইসলাম, মুহাম্মদ রবিউল হোসেন, হাজী জামাল, মুহাম্মদ ওসমান, মুহাম্মদ মনছুর, মুহাম্মদ এমরান, মুহাম্মদ দিদার, মুহাম্মদ বাহাদুর সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানা থেকে আগত তরিক্বতপন্থি, মেহমান এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
উল্লেখ্য এশায়াত মাহফিল শুরু হওয়ার পূর্বে বাদে জোহর হতে পবিত্র খতমে কোরআন আদায় তথা খতমে কোরআন মাহফিল, জিকিরে গাউছুল আজম মোর্শেদি অনুষ্ঠিত হয়।
মাহফিল শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও উপস্থিত সকলের ইহকালীন কল্যাণ, পরকালীন মুক্তি ও কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মাননীয় মহান মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেবের হায়াতে আবেদী, শেফায়ে দায়েমি এবং গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।

