দক্ষিন কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস একজন জন্মসূত্রে বাংলাদেশী বর্তমান কোরিয়ান নাগরিককে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে কালো তালিকাভুক্ত করেন।
কালো তালিকাভুক্ত করার কারন, তিনি বাংলাদেশ দূতাবাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালান এবং দূতাবাসের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেন।
কালো তালিকাভুক্ত করার পর থেকে তিনি আর দূতাবাসে আসতে পারতেন না। কিন্ত বর্তমানে দেখা যাচ্ছে হঠাৎ করে তার দূতাবাসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতিতি। এই নিয়ে কোরিয়াস্হ বাংলাদেশীরা প্রতিবাদ করলে দূতাবাসের ডিফেন্স এটাচি তার সাথে সবাইকে মিলে থাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন এবং বানিজ্য কনস্যুলার ও একই সুরে বিভিন্ন প্রবাসীদের গোপনে ডেকে মিলানোর উদ্যোগ নেন।
অপর এক ব্যক্তি জাতির পিতার কন্যা শেখ রেহানাকে ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ বলেছেন সেই অডিও ভাইরাল হলে দূতাবাসে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা। আশ্চর্য জনক ব্যাপার ,সেই ব্যাক্তির সহিত ও জোর করে মিলানোর চেষ্টা করলে বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে আজ রবিবার প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে কোরিয়ান সময় বিকাল চার ঘটিকায় এক মানব বন্ধন করেন ।
মানব বন্ধনে তারা বলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের ডিফেন্স এটাচি ও বানিজ্য কনস্যুলার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক
কালো তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও জাতির পিতার কন্যা শেখ রেহানাকে ঘুষখোর ,দুর্নীতিবাজ বলা ব্যাক্তির সহিত গভীর সম্পর্ক গড়েছেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের চাপ সৃষ্টি করছেন ঐ দুই ব্যাক্তির সহিত মিলিত হতে যাহা দেশ ও জাতির জন্য অশনি সংকেত। যাহার প্রতিবাদে আমারা মানব বন্ধন করেছি।
বাংলাদেশ কমিউনিটির দাবি,
বাংলাদেশ ডিফেন্স আমাদের গর্ব, সেই গর্ব নষ্ট করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের ডিফেন্স এটাচি কালো তালিকাভুক্ত ব্যাক্তিকে দূতাবাসে এনে প্রবাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন এবং জাতির পিতার কন্যা শেখ রেহানাকে ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ বলা সেই অভিযুক্ত ব্যক্তির সহিত মিলিত হওয়ার জন্য ও কিছু সংখ্যক প্রবাসীকে চাপ সৃষ্টি করেন।
তাই আমরা বাংলাদেশ ডিফেন্সের সুনাম রক্ষার জন্য রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ ডিফেন্সের নিকট উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি।
এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের বানিজ্যিক কনস্যুলার ও একই ভাবে কোরিয়ার চেম্বার অফ কমার্সের সহ- সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব, হিরোন বাবুকে ব্যবসার কথা বলে রেস্টুরেন্টে ডেকে নিয়ে কালো তালিকাভুক্ত ব্যাক্তি ও জাতির পিতার কন্যাকে ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ বলা ব্যাক্তির সহিত মিলিত হওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
দূতাবাসের সুনামের পথে বাধা সৃষ্টি করার কারনে অতি সত্বর ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে এবং কালো তালিকাভুক্ত ও জাতির পিতার ছোট কন্যা শেখ রেহানাকে ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ বলা ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবী জানান।

