প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কোন স্থানে ১ইঞ্চি জায়গা খালি রাখা যাবেনা। যেখানে ফসলের মাঠ সেখানেই ফসল ফলাতে হবে। এ বিষয়ে গত ১১ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ রক্ষা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজদৌল্লাহ শিরুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- সহ-সভাপতি এন.আলম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সিরাজুল ইসলাম, ইয়াছিন চৌধুরী, আকবর হোসেন প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সে গাছ লাগানোর কথা বলছেন বাস্তবে হচ্ছে এর উল্টোটা। বর্ষাতে তেমন বনায়নের ক্ষেত্রে সামাজিক বনায়নের বিস্তারিত লাভ করেনাই। পার্বত্য অঞ্চল সহ বিভিন্ন স্থান থেকে ২/৩টন পিকআপ করে সেগুন, চম্পাপুল, গর্জন সহ অনুমোদন বিহীন কাঠ সমূহ নগরীর বলিরহাট, ফিরিঙ্গীবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলী, কালুরঘাট স্থানে মজুদ হয়। সেখান থেকে স’মিল ব্যবসায়ীরা এইসব কাঠ চিড়াই করে দরজা, চৌকাট, ফার্ণিচার তৈরীর মাধ্যমে এইসব কাঠ পাচার হচ্ছে। তারা বলেন- এইসব স্থানে যদি বনবিভাগ সরেজমিনে তদন্ত করে তাহলে দেখা যাবে ব্যাঙের ছাতারমত ফার্ণিচার ফ্যাক্টরি /কারখানা চালু হয়েছে। এইসব কারখানায় বনবিভাগ তল্লাশি চালালে হাজার হাজার ঘনফুট চিড়াই কাঠ উদ্ধার করতে পারবে। এছাড়াও যেকোন স’মিলের জন্য বন বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হয়, এ অনুমতি নিতে হলে কাঠের উৎসের পারমিট ও ট্রানজিট পাস (টি.টি) থাকতে হয়। তাই বন বিভাগ শহরের কর্মকর্তাদের উপর তারা অনুরোধ করেন এ বিষয়ে যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

