(ফলোআপ)
গত বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ ইংরেজি তারিখে কক্সবাজারের স্থানীয় দৈনিক কক্সবাজার সংবাদ পত্রিকার প্রথম পাতায় ইসলামাবাদে প্রভাবশালী রমজান ও নুইছার নেতৃত্বে পাহাড় কাটার মহোৎসব,দৈনিক কক্সবাজার বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতায় ঈদগাঁওতে পাহাড় দখল করে প্লেট বিক্রি, দৈনিক আলোকিত উখিয়া পত্রিকার প্রথম পাতায় ইসলামাবাদে দুই প্রভাবশালীদের নের্তৃত্বে পাহাড় কাটার মহোৎসব,এবং ঢাকার স্থানীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার প্রথম পাতায় ইসলামাবাদে প্রভাবশালী রমজান ও নুইছার নেতৃত্বে পাহাড় কাটার মহোৎসব শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরেও পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ায় কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ২০/৩০ হাজারের বেশি পরিবার উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে, বেশি পরিবার বিভিন্ন পাহাড়ে দিন দিন অবৈধ ঝুঁকিপূর্ণ বসতি বাড়ছে। পাহাড় কেটে গড়ে তোলা এসব বসতিতে মূলত ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের লোকজনের বসবাস। তবে এই পাহাড় দখলের নেপথ্যে রয়েছেন অনেক রাজনীতিক। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন সভায় এ নিয়ে আলোচনাও হয়। কিন্তু প্রতিবছর বর্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ বসতি উচ্ছেদ কিংবা সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেই দায় সারে কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ উঠেছে, পাহাড় কাটা ও দখলের নেপথ্যে থাকা ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব বোয়াল খালী এলাকার স্থানীয় প্রভাবশালী ছাবের ছেলে রমজান ও ইসলামপুর ইউনিয়নের হাজী পাড়া এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে নুরুল ইসলাম (প্রকাশ) নুইছার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নেপথ্যে থাকা এসব নেতার তালিকাও করা হয়নি।
পাহাড় কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে রমজান জানান,পাহাড় কাটিয়ে মাটি বিক্রি করলে আপনাদের কি সমস্যা। যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে ফিরুজের অফিসে যোগাযোগ করুন।নুরুল ইসলাম বলেন,পাহাড়ের মালিককে প্রতি গাড়ী মাটির দাম ১শ টাকা দিয়ে সব কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পাহাড় কাটাছি।আমাদের বিরুদ্ধে নিউজ করে কোন লাভ হবে না।আমাদের হাত অনেক লম্বা।
পাহাড় কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে নাপিত খালী বিট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,ঐ এলাকা আমার এরিয়ার বাহিরে তাই আমার কিছু করা সম্ভব হবে না।
পাহাড় কাটার বিষয়ে জানতে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি মুঠোফোন কেটে দেওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পাহাড় কাটার বিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকারিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, পাহাড়খেকো ভূমিদস্যু যেই হউক না কেনো ছাড় দেওয়া হবে না।দ্রুত পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
এবিষয় কক্সবাজার জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ফরিদ আহমেদ মুঠোফোন রিচিভ না করাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসী জানান, ভূমিদস্যুরা শুধু বনজ সম্পদ ধ্বংস করছেনা, তাদের মাটি এবং বালি বাহি ডাম্পারের বেপরোয়া চলাচলে সরকারের কোটি টাকায় নির্মিত এলাকার রাস্তাঘাট ধ্বংস করে ফেলছে প্রতিনিয়ত।তাই বনজসম্পদ রক্ষার স্বার্থে সরেজমিনে সত্যতার জন্য কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার জরুরি পরিদর্শন কামনা করেছেন।
অবশিষ্ট বনজ সম্পদ রক্ষায় বনখেলোদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যাবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

