ময়মনসিংহের ভালুকায় ৩ মাস যাবৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপির বিরুদ্ধে।
সরেজমিন তদন্তে জানা যায়, উপজেলার মল্লিকবাড়ি ইউনিয়নের ধামশুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি আবদুল্লাহ আল মামুন ৩ মাস যাবৎ কর্মস্থলে উপস্থিত নেই। সাধারণ মানুষ চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন ক্লিনিকে গেলেও ক্লিনিকটিতে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।এতে ভোগান্তিতে পরেছে স্থানীয় হতদরিদ্র জনগন। স্থানীয়দের অভিযোগ আওয়ামীলীগের সাবেক সাংসদ কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তার ভাতিজা মামুনকে কমিউনিটি ক্লিনিকে সিএইচসিপি পদে চাকুরী নিয়ে দেন। তার পর থেকেই চাচার ক্ষমতার প্রভাবে অফিস না করেই বেতন ভাতা উত্তোলন করতে থাকেন মামুন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর মামুনের নামে মামলা হয়। তার পর থেকেই মামুন ঘা ঢাকা দিয়ে আছেন। মামুনের পরিবর্তে তার বোন মৌসুমি আক্তার তাদের বাড়ীতে থেকে মাঝে মাঝে একটু আধটু ঔষধ দিয়ে থাকেন বলে জানিয়েছেন তারা। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।মানুষ যেমন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকারেরও তেমন বিপুল পরিমান টাকা নষ্ট হচ্ছে। সেবা গ্রহিতাদের পলাতন আসামীকে চাকুরীতে না রেখে অন্য কাউকে নিয়োগ দিলে মানুষ অন্তত সেবা টুকু পেতো। তাই অবিলম্বে তাকে চাকুরীচ্যুত করে নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়ার আহবান জানিয়েছেন তারা। অভিযুক্ত মামুনের বোন মৌসুমি আক্তার জানান তার ভাই মামুন মাঝে মধ্যে বাগিতে আসে আর তখন সে হাজিরা রেজিস্ট্রারে স্বাক্ষর করে যায়।
এ ব্যাপারে উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ নজরুল ইসলাম বলেন, সিএইচসিপি আমাদের আন্ডারে নাই। এগুলো দেখে কমিউনিটি ট্রাস্ট তাই এই সমস্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার আমাদের নাই।

