চট্টগ্রামের ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক মানচিত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন উপজেলা ‘ফটিকছড়ি উত্তর’। দেশের অন্যতম বৃহত্তম ও ঐতিহ্যবাহী ফটিকছড়ি উপজেলাকে দুই ভাগে বিভক্ত করে এই নতুন প্রশাসনিক উপজেলা গঠন এবং অবশিষ্ট অংশ নিয়ে মূল ফটিকছড়ি উপজেলা পুনঃগঠনের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট (সোমবার) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব হেলেনা পারভীন রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে দেশের ৫০১তম প্রশাসনিক উপজেলা হিসেবে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা নিশ্চিত হলো।
চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, মূল ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরাঞ্চলের মোট ৬টি ইউনিয়ন বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল নিয়ে নতুন ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা গঠন করা হয়েছে।
নতুন এই উপজেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র বা সদর দপ্তর স্থাপনের জন্য ভূজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূজপুর মৌজা (বর্তমান ভূজপুর থানার পাশে) নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উপজেলার দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-র কার্যালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের পদ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়ন আলাদা হয়ে যাওয়ার পর অবশিষ্ট অংশ নিয়ে মূল ফটিকছড়ি উপজেলাকে পুনঃগঠন করা হয়েছে। পুনঃগঠিত মূল ফটিকছড়িতে থাকছে ১২টি ইউনিয়ন এবং ২টি পৌরসভা (ফটিকছড়ি পৌরসভা ও নাজিরহাট পৌরসভা)। এর প্রশাসনিক কেন্দ্র পূর্বের ন্যায় বর্তমান ফটিকছড়ি সদরেই বহাল থাকছে।

