নয়া দিগন্ত পত্রিকায় ১৪ জুলাই ৭ম পৃষ্ঠায় “ভালুকায় টেন্ডার ছাড়াই বন বিভাগের ১০ টি বড়গাছ কর্তন” এই শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ।
তিনি বলেন, সংবাদটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত বলে আমি মনে করি। একটি স্বার্থবাদী মহলের প্ররোচনায় এই মিথ্যা সংবাদের অবতরনা হয়েছে।যা শুধু আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য।আমার বিরুদ্ধে টেন্ডার ছাড়া ৩০-৩৫ বছর বয়সী ৩লক্ষ টাকা মূল্যের ১০টি গাছ কেটে গাছ গোপন করার অভিযোগে সংবাদটি প্রকাশ করা হয় যা সম্পূর্ণ মিথ্য ও বানোয়াট। গত ০৩ জুলাই বিভাগীয় বন কর্মকর্তার স্মারক নং- ২২.০১.০০০০.৬২৪.১৭.০১৮.২৪-২৫৪৬ পত্রের প্রেক্ষিতে কাটাতারের ঘেরা বেড়া দেওয়ার জন্য ০৫টি মৃত,ও পচা, ০২টি হেলিয়া পড়া আকাশমনি ও ১টি মাথা ভাঙ্গা কাঠাল মোট ৮টি গাছ অপসারণ ও সংগ্রহ করতঃ লট আকাতে সাজিয়ে রাখার অনুমতি প্রদান করেন। যার প্রকৃত বাজার মূল্য আনুমানিক ৩০-৩৫ হাজার টাকা। অপসারণকৃত ৮ টি গাছ ভালুকা জোনের সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয়ে লট আকারে সাজিয়ে রাখা রয়েছে। যা পরবর্তীতে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: স্থানীয়দের বক্তব্য নিয়ে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই।

