যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকালে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আলম খান জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। পরে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
এরপর প্রশাসনিক ভবন চত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি, পুরস্কার বিতরণী ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
সভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুল আলম খান বলেন, বঙ্গবন্ধুর সকল কাজের অনুপ্রেরণা ছিলেন তার প্রিয় রেণু। তাঁর কোনো চাওয়া-পাওয়া ছিলো না। বঙ্গবন্ধু জেলে থাকা অবস্থায় তিনি তাঁর সাহস ও বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলে সংসার সামলেছেন, দলের দুর্দিনে দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। নেতা-কর্মীদের সাহস দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন।
‘এভাবে সব আন্দোলন-সংগ্রামে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে বঙ্গমাতা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নেপথ্যের কারিগর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।’
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক পার্থসারথি দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফারুক হোসেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড, বশেফমুবিপ্রবি শাখার সভাপতি ড. মাহমুদুল আলম, ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুস ছাত্তার, নূরুন্নাহার বেগম হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ড. মুহাম্মদ ফরহাদ আলী, ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ আরিফুল হক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ বশেফমুবিপ্রবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াছ উদ্দিন, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মির্জা মো. আব্দুল হালিম, কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বশেফমুবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক কাওসার আহমেদ স্বাধীন, যুগ্ম-আহ্বায়ক তাইফুল ইসলাম পলাশ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এদিকে আলোচনা শেষে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্রী চন্দ্রিকা তঞ্চঙ্গা প্রথম ও একই বিভগের প্রথমবর্ষের ছাত্রী জোয়াহিরিয়া বিনতে জোবায়ের দ্বিতীয় এবং গণিত বিভাগের ছাত্রী শায়লা সাদিকা তৃতীয় হন। বিজয়ীদের মাঝে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুল আলম খান পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উদ্যাপন কমিটির সদস্য সচিব মো. রাসেল মাহমুদ।পরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

