২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে প্রথম জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর কেটে গেছে ১৫ বছর। হয়েছে আরও ছয়টি আসর। কিন্তু মূল পর্বে জয়ের দেখা পাচ্ছিল না টাইগাররা। অষ্টম আসরে এসে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাল টিম বাংলাদেশ। দাপুটে জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মিশন শুরু করল সাকিব আল হাসানের দল।
সুপার টুয়েলভে নেদারল্যান্ডসকে ৯ রানে হারায় টাইগাররা। আজ সোমবার হোবার্টে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট ১৪৫ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে নেদারল্যান্ডসকে ১৩৫ রানে অলআউট করে সাকিব আল হাসানের দল।
অল্প পুঁজি, তাই শুরুটা হওয়া উচিত ছিল দুর্দান্ত। সেটাই করে দেখালেন তাসকিন আহমেদ। পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরান দুই ডাচ ব্যাটারকে। ইনিংসের প্রথম বলেই বিক্রমজিৎ সিংকে (০) সাজঘরে ফেরান পেসার তাসকিন আহমেদ।
পরের বলেই বাস ডি লিডকেও (০) ফেরান ডানহাতি এই পেসার। এরপর আফিফ হোসেন ও নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রানআউট হন ম্যাক্স ও’ডাউড ও টম কুপার।
উইকেটে থিতু হতে থাকা প্রতিপক্ষের অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসকে তুলে নেন সাকিব। টিম প্রিঙ্গেলকে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ। এরপর দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে আবারও জোড়া আঘাত হানে তাসকিন। শারিজ আহমেদের (৯) পর তুলে নেন অর্ধশতক করা কলিন অ্যাকারম্যান। সর্বোচ্চ ৬২ রানের ইনিংসে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় নেদারল্যান্ডস। তাসকিন আহমেদ ২৫ রানে ৪ উইকেট ও হাসান মাহমুদ নেন ২ উইকেট।
এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সাত বলের ব্যবধানে আউট হয়ে যান সৌম্য (১৪) ও শান্ত (২৫)।
দুই ওপেনারের দেখানো পথে হাঁটেন লিটন দাস (৯)। এরপর আউট হয়ে দলের বিপদ আরও বাড়ান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান (৭)। ইয়াসির আলীও ধরেন সাজঘরে ফিরলে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সাকিব আল হাসানের দল।
উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে ব্যাটিংয়ে বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন আফিফ হোসেন। ব্যক্তিগত ১৩ রানে সোহান বিদায় নিলে ভাঙে ৪৩ রানের জুটি। ২৭ বলে দুটি করে চার ও ছয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন আফিফ। শেষ দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ১২ বলে ২০ রানের ক্যামিও ইনিংসে লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

