চর্চিত চয়নে বিদ্ধস্ত পৃষ্ঠকালি
সর্বনামকে ঊর্ধ্বে চারণ;
দাও দময়িতার বারুশ বলি
সদয়ে – মনসে পুত উদগিরণ।
আলম্বিত হস্ত সুকর্মে চালি
নাহি ভোগ অচলা ভক্তি,
সম্পদানে পাপপঙ্ক নাশি
কালান্তরে যথা মিলিবে তৃপ্তি।
সত্যতে বিশ্রিত অতথ্য বুলি
মোহঘোরে সপিঁলা এই প্রাণ
রণচণ্ডীর মায়া জালে তুমি
মনেবৃত্তিতে মারিয়েছ বাণ।
ইট পাথরের দ্বন্দ যুদ্ধে
তলিয়ে মানব সিদ্ধি খুজি
লন্ঠনের সেই দ্যুতির চেতন
খোলা প্রান্তরে সেই সবুজ হীরা
সন্তোষে ভরা!হে!সন্তোষে ভরা
মেলবে নাহি আজ আর প্রসিদ্ধি।
আজ অজ্ঞমানিক জ্ঞানের দুয়ার
জুয়ারি দুলাল জ্ঞান চাষী
তবে এই শস্য বারোমাসি নহে বর্ণচোরা
উত্থান -পতনে করে বৈঠা বদল এই মাঝি।
আধাঁরের ঘনত্বে গোচরে কুচক্র বোধ
অশৌচের মেলা মেতেছে মরণ নেশায়
নিস্তব্ধ নিভৃতে উঠেছে ধ্বনি তুই,তুমি,আপনি
নাজেহাল নিশাচর,ত্রাসিত জিন- পরীরা অস্ফুট।
তবে সামান্য প্রান ব্যতিক্রমী,মগ্ন আরাধনায় প্রতীক্ষিত
যখন তিমিরকে ঘুম পাড়িয়ে প্রকাশিত লাল প্রভা
নিষ্ক্রিয় নিপাতে যাবে সক্রিয় কিছু অতন্দ্র প্রান।
জানিও সবাই-এরাই মানব-বিরচন কর ইহাদের গান।
কত বিচিত্রিতা,কত আচার,কত সংগ্রামী প্রান
বিরুদ্ধ পরিবেশে লড়াকু কত অজস্র মানস
আহারে অনাহারে একবেলা খেয়ে উদরে ব্যাধি
শত কষ্ট-গ্লানিকে দামাচাপা দিয়ে কত অবলা নারী।
জীবন বড় বিচিত্রময়,বড্ড সাংঘাতিক, বেশ অদ্ভুদ
অভাবে চলছে,রঙ্গরসে চলছে তবুও থামছেনা এ গাড়ি
জীবন নৌকায় বৈঠা বাইছি-মাঝি নিজেই আমি
জানি,অলক্ষ্যকে ভেদ করে দিতে হবে বহুপথ পাড়ি।

