
বছরের অন্য দিন গুলো থেকে রমজান এর বিশেষত্ব করেছে প্রতিটি রাত কে মহামন্নিত। নিস্তবদ্ধ রাত আর রাতের বেশে থাকে না।
মসজিদ থেকে ধ্বনিত হয় বাণী,” সেহরির শেষ সময় ৪:৩৯ মিনিট, সবাই সেহরি করে নিন”। অগোচরে সজাগ হয়ে উঠে প্রতিটি ঘরের মুসল্লি। স্রষ্টার অনুগত্যে, সাওম পালনের উদ্দেশ্য সেহরি করে নেয়। ক্রমান্বয়ে শেষ হয়ে যায় সেহরির সময়, ফজরের সময় হয়ে আসে। মুসল্লিরা বেরিয়ে পড়ে ঘর থেকে মসজিদের উদ্দ্যেশ্য। অন্য রকম রহমতের আশ্রয়ে। চলেছে তাদের যাত্রা। আত্মিক প্রশান্তির ঠায় মেলে। ধ্বনিত হয় গুন গুন করে কুরআন তিলাওয়াত। সমুধুর সেই সুর। রমজানের প্রতিটি দিনের সূচনা ঘটে এমনিই করে।
ফজরের নামাজ শেষে সবাই ব্যাস্ত হয়ে যায় দৈনন্দিন জীবনের কর্মব্যস্ততায়। রমজান কে লক্ষ্য করে পরিবর্তিত হয় দৈনিক কর্মসূচি। ছোটো বড়ো সবাই যেনো রমজানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়। বিরত রাখে বর্জনীয় বিষয় থেকে। পরিবর্তন ঘটে জীবনধারায়, নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাই চেষ্টা করে স্রষ্ঠার অনুগত্য লাভের। সূর্যের কড়া তাপ ও যেনো হার মানতে বাধ্য হয় তাদের আনুগত্যের কাছে। কোনো প্রতিকূলতা টলাতে পারে না তাদেরকে। ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে থাকে স্রষ্টার ভয়ে। যোহর, আছর একে একে ইফতারের সময় এসে পড়ে। নানান পদের আয়োজন ঘটে। হাত উঠে মুসল্লির ক্ষমা প্রার্থনার জন্য, নিকট মসজিদে শোনা যায় মাগরিবের আযান, সমাপ্তি ঘটে একটি রোজার, হারিয়ে যায় এক এক করে রহমতের, নাজাতের, মাগফিরাতের ৩০ টি দিন। সূচনা সমাপ্তি শিখিয়ে যায় সংযত থাকতে, নিজেদের লোভ, লালসা প্রলোভন থেকে বিরত থাকতে। ধৈর্য ধারণের উত্তম কিছু উদাহরণ রেখে যায়।
লেখকঃ মোছা: রোকাইয়া আক্তার
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।