
এদিকে এ ঘটনায় চলতি মাসের ২১ ও ২২মে চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো: সেলিম। যার সি আর মামলা নং-২২২/২০২৫ ইংরেজি (ভূজপুর) ও মিছ মামলা ৬২৩/২০২৫ ইংরেজী (ভূজপুর)। এ মামলায় সাখাওয়াত হোসেন, মাহাবুবুল আলম, মো: মুছা আনছারী ও হারুনুর রশীদসহ ৬জনকে বিবাদী করা হয়।
জানা যায়- ফটিকছড়ি দাঁতমারা ইউনিয়ন এর শান্তিরহাট বাজারের পশ্চিম পাশে ছোট বেতুয়া সড়ক দিয়ে ৮-১০ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চলাচল করে। সড়কের দু’ পাশে অসংখ্য কৃষি জমি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি তালিকাভুক্ত তারাখোঁ খাল। তবে খালটি দখলের কারণে এখন ভরাট হয়ে গেছে। ফলে রাস্তার পাশে পানি যাতায়াতের কারণে ৩০ হাজার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের সড়কটির পাশাপাশি স্থানীয়দের কৃষি জমি ক্ষতি হচ্ছে। এরইমধ্যে বারবার সরকারি খালটি ভরাট করে ছোট বেতুয়া রাস্তায় পাশে কেটে দিয়ে কৃষি জমি ক্ষতির অভিযোগে উঠে। ভুক্তভোগী ও মামলা বাদী মো: সেলিম বলেন- প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সরকারি খাল ব্যবহার করার কথা থাকলেও অভিযুক্তরা জমি দখলের জন্য ওই খালটি ভরাট করে আমাদের জায়গা দিয়ে খাল কেটে পানি ঢুকিয়ে দেয়। এখনো তাদের চেষ্টা বন্ধ নেই। আমরা চাই সরকারি খালটি উদ্ধার করে যেন এটি ব্যবহারের উপযুক্ত করা হয় এবং আর কারো কৃষি বা রাস্তার ক্ষতি না করা হয়। ভুক্তভোগী মো: শাহীন বলেন- ২০২৪ সালে অভিযুক্তরা সরকারি ১নং খতিয়ানের খালটি দখল করে আমার জমি দিয়ে খালের পানি ছেড়ে দেয়, ফলে আমার ১৫ লক্ষ টাকার মাল্টা বাগান ও কৃষি জমির ক্ষতি হয়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য হাকিম মেম্বার বলেন- সরকারি যে খালটি ছিলো সেটি ৬নং ওয়ার্ডের ৫-৬ জন লোক বেশিরভাগ ভরাট করে তা দখলে নিয়ে কৃষি চাষ করছে। ফলে রাস্তার পাশে পানি চলাতে মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বর্তমানে অনেক জায়গায় সড়কের অর্ধেক।ভেঙে গিয়েছে। সরকারি যে খাল সেটি সংস্কার করে দিলে সড়ক ও ঠিক থাকবে কোন সমস্যাও থাকবে না।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।