amadermuktokantho
চট্টগ্রামশুক্রবার , ১৩ জানুয়ারি ২০২৩
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাকরাইন উৎসবকে সামনে রেখে জমে উঠেছে শাঁখারী বাজারের ঘুড়ি কেনাবেচা

জবি প্রতিনিধি:
জানুয়ারি ১৩, ২০২৩ ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাংলা পৌষ মাসের শেষে শীত মৌসুমের বার্ষিক উৎসবকে ‘সাকরাইন উৎসব’ নামে পালন করা হয়। বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ছোট-বড় সবাই মেতে ওঠে এ উৎসবে। এ বছর ১৪ জানুয়ারি পালিত হবে অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব।

সাকরাইন উপলক্ষে পুরাণ ঢাকার শাখারী বাজার এলাকায় ঘুড়ি বিক্রি উৎসবে পরিণত হয়েছে। সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন বয়সের ছেলেমেয়েরা ঘুড়ি কেনার জন্য এসেছেন। কেউ কেউ ৫০ থেকে ৬০টা ঘুড়ি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন সাথে নাটাই সুতা সহ প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে নিয়ে যেতে দেখা যায়। কয়েকজন দোকানদারের সাথে কথা বলে জানা যায় এবারের বিক্রি আগের তুলনায় খুব ভালো এখনো একদিন বাকি আছে তাই তারা আশা রাখছেন দোকানে যে মাল উঠিয়েছেন তা সবকিছু বিক্রি হয়ে যাবে।
ঘুড়ি কিনতে আসা এক বালক জানায়, এটা তাদের প্রাণের একটি উৎসব তাই ছোট বড় সবাই মিলে এই উৎসবকে পালন করার জন্য তারা ঘুড়ি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
৮ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ বা ৬০ কিংবা দেড়শ দুইশত টাকায় ও ঘুড়ি বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের নাটাই যেমন বাশের স্টিলের নাটাই বিক্রি হচ্ছে। ছোট নাটাই গুলো বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, মাঝারী ধরনের নাটক এগুলো বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বড় নাটাই গুলো বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা।

উৎসবটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হলেও বহু বছর ধরে পুরান ঢাকায় সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে সাকরাইন উৎসব। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবকে ‘পৌষ সংক্রান্তি’ বা ঘুড়ি উৎসবও বলা হয়ে থাকে।

সংস্কৃত শব্দ ‘সংক্রান্তি’ ঢাকাইয়া অপভ্রংশে সাকরাইন রূপ নিয়েছে। পৌষ মাসের শেষ দিনে এই সাকরাইন উৎসব আয়োজন করা হয়।
তবে বাংলা ক্যালেন্ডার ও পঞ্জিকা তারিখের সঙ্গে কিছুটা পার্থক্যের কারণে প্রতি বছর দুই দিনব্যাপী এই উৎসবটি পালন করেন পুরান ঢাকা বাসিন্দারা।

শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, গোয়ালনগর, লক্ষ্মীবাজার, সূত্রাপুর, গেণ্ডারিয়া, লালবাগ ও এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে ছোট, বড় সকলেই মেতে উঠে এ উৎসবে। বিকেল বেলা এই সব এলাকায় আকাশে রঙ বেরঙের ঘুড়ি ওড়ে। ছাদে কিংবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘুড়ি ওড়ানো হয়। অধিকাংশ সময়ে ভোঁ কাট্টা’র (ঘুড়ি কাটাকাটি) প্রতিযোগিতা চলে। একজন অপরজনের ঘুড়ির সুতা কাটার কসরৎ করে।

রাত নামলে পুরাণ ঢাকা আতশবাজির আলোয় উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। আগুন মুখে নিয়ে খেলা দেখানো কসরৎবিদগণ ছাদে দাঁড়িয়ে দর্শকদের তাদের কারুকাজ দেখায়। সন্ধ্যার পর আকাশে ওড়ে রঙবেরঙা ফানুশ ও ঘরে ঘরে পিঠাপুলির আয়োজন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।