আজ (১৮ ফেব্রুয়ারি) ড. শহীদ সৈয়দ মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা দিবস। ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি গণ-অভ্যুত্থান আন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তৎকালীন প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা পাকিস্তানি হানাদারের গুলিতে নিজ ক্যাম্পাসেই নিহত হন। তিনিই দেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী। তার আগে কোনো বাঙালি বুদ্ধিজীবী এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ হওয়ার উদাহরণ নেই। দিনটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শিক্ষক দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
শহীদ জোহা দিবসে তার আদর্শকে ধারণ করতে বললেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন আহমদ। জোহা দিবস নিয়ে তিনি তার অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে একটা পোস্ট করেন সেখানে তিনি লিখেন, আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শহীদ সামসুজ্জোহা স্যারের মৃত্যু দিবস। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে শহীদ জোহা হলের আবাসিক ছাত্র ছিলাম। এই হলটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় টর্চার সেল হিসেবে পাকিস্তানি সৈন্যরা ব্যবহার করতো।
পরবর্তীতে এ নিয়ে কোনো গবেষণা হয়েছে কি না জানি না। আমরা যখন হলে ছিলাম তখনতো জিয়াউর রহমান মোশতাকের আমল। জোহা স্যার কে নিয়ে হলে পাকিস্তানীদের অত্যাচার নিপীড়ন নিয়ে কোনো আলোচনা /সেমিনার করার সাহস কেউ করেনি। শুধু রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে স্মরণসভা হতো।
আজ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় আছে বলেই একটি শোক সভা হলে ঘটা করে পালিত হচ্ছে। এর যারা আয়োজক তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানাই।
এ দিনে শপথ নেয়া উচিত যেন আমরা স্যারের আদর্শ কে ধারন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু র সোনার বাংলা কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারি স্যারের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

