amadermuktokantho
চট্টগ্রামবুধবার , ২২ নভেম্বর ২০২৩
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বুঝে উঠার আগেই শিক্ষককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলো বিদ্যালয়ের সভাপতি

মুক্তকণ্ঠ ডেস্ক:
নভেম্বর ২২, ২০২৩ ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মো. কামাল হোসেন বিল্লাল নামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে স্কেল দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এ কে এম ফারুকের বিরুদ্ধে।

বুধবার সকালে উপজেলার ৫ নম্বর চন্ডিপুর ইউনিয়নের মধ্য মাছিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকেরা তাঁকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত শিক্ষক কামাল হোসেন বিল্লাল মাছিমপুর গ্রামের তৈয়ারী বাড়ির মৃত ফজলুল হকের ছেলে ও বিদ্যালয়ের সভাপতি এ কে এম ফারুক একই গ্রামের আইচের বাড়ির মৃত মোহাম্মদ উল্লার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার মধ্য মাছিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক কামাল হোসেন বিল্লাল বিদ্যালয়ের আসেন। এরপরই বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এ কে এম ফারুক অফিস কক্ষে প্রবেশ করে প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের সামনে শিক্ষক রুমের টেবিল থেকে স্কেল নিয়ে সিনিয়র তাঁকে পিটিয়ে জখম করে। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

এ ব্যাপারে শিক্ষক কামাল হোসেন বিল্লাল বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রায়ই আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। আজ সকালে আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি না করিয়ে পাশের মাছিমপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর জন্য চাপ দেন। ওই বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের ক্লাস খুব একটা ভালো হয় না বলতেই টেবিলের ওপর থেকে স্কেল নিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেন। এত দ্রুত ঘটনাটি ঘটেছে, আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই উনি স্কুল থেকে চলে যান।’

এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৌসুমী আক্তার বলেন, ‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটনাটি ঘটে গেল। পরে আমিসহ অন্য শিক্ষকেরা মিলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করি। এভাবে একজন শিক্ষকের ওপর হামলা দুঃখজনক।’

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এ কে এম ফারুক বলেন, ‘এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ জন্য আমি অনুতপ্ত। আমি তো মানুষ, ফেরেশতা নই। ভুল হতেই পারে। ঘটনার পর পরই বিষয়টি সমাধানের জন্য শিক্ষক বিল্লালের বাড়িতে গিয়েছি। কিন্তু কাউকে পাইনি। দয়া করে আপনারা বিষয়টি সমাধান করে দিন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক মাছিমপুর উচ্চবিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, গত দুই বছর আগেও এ কে এম ফারুক একজন শিক্ষককে মাছিমপুর বাংলাবাজারে হাঁটবারের দিন প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করেন। পরে ক্ষমা চেয়ে পার পান।

রামগঞ্জ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা সকল কর্মকর্তা হাসপাতালে গিয়েছি। শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফারুকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।