হাটহাজারীর গড়দুয়ারা ইউসুফ একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। মুজিবুল হক মনুজের পক্ষ থেকে দেওয়া এ অনুদান একাডেমির সংশ্লিষ্টদের হাতে তুলে দেন সমাজকর্মী ও উদ্যোক্তা সালাউদ্দীন আলী।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।অনুদান প্রসঙ্গে মুজিবুল হক মনুজের পক্ষ থেকে বলা হয়, “শিক্ষা একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল ভিত্তি। আমাদের সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক সচেতন ও সামর্থ্যবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি বলেন, গড়দুয়ারা ইউসুফ একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহযোগিতা করতে পেরে তিনি আনন্দিত। অনুদানের পরিমাণ বড় না হলেও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সামান্য অবদান রাখার সুযোগকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
মুজিবুল হক মনুজ আরও বলেন, সমাজের প্রত্যেকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী শিক্ষা, মানবিকতা ও জনকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে এলে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ভবিষ্যতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সহযোগিতার সুযোগ থাকলে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুদান হস্তান্তরকালে সালাউদ্দীন আলী বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একটি সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।”
তিনি বলেন, মুজিবুল হক মনুজের পক্ষ থেকে দেওয়া এ আর্থিক সহযোগিতা গড়দুয়ারা ইউসুফ একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।সালাউদ্দীন আলী আরও বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত, নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শুধু শিক্ষক ও অভিভাবকদের নয়, সমাজের প্রত্যেক সচেতন নাগরিকেরও ভূমিকা রয়েছে। তাই নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী শিক্ষা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুদান হস্তান্তরের সময় গড়দুয়ারা ইউসুফ একাডেমির শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তারা মুজিবুল হক মনুজের পক্ষ থেকে দেওয়া ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শিক্ষা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

